Tips for buy laptop_techinome.xyz

আপাতত বাজেট কম। অল্প টাকার ল্যাপটপ কিনি পরে দেখা যাবে!!! ল্যাপটপ কেনার আগে আবশ্যকীয় প্রস্তুতি

বেশ কিছুদিন যাবত আমি ল্যাপটপ কিনব কিনব ভাবছি। ভাবলেতো হবে না। পকেটের অবস্থাও তো ভাল হতে হবে, তাই না? ডিজিটাল বাংলাদেশ বলেন কিংবা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলাকে টার্গেট করেন, বর্তমানে আপনাকে স্মার্ট এবং কাজের ক্ষেত্রে পটু হতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার শিক্ষায় পারদর্শি হতে হবে। অন্ত্যতপক্ষে কম্পিউটারের বেসিক কাজগুলো সম্পর্কে আপনার আইডিয়া না থাকলে বর্তমানে ছোটখাট পদেও চাকুরি পাওয়া বেশ মুশকিল। আর কম্পিউটারের বেসিক কাজগুলোকেও নিয়মিত চর্চায় রাখতে আপনার নিজের একটি কম্পিউটার থাকা চাই । আর বর্তমানে এবং অতীতেও ডেক্সটপ কম্পিউটারের থেকে ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রতি মানুষদের আগ্রহ বেশি ছিলো। ল্যাপটপ কম্পিউটার তুলনামুলকভাবে বেশ ছোট এবং হালকা হয়ে থাকে যার কারণে একে আপনি টেবিলের পাশাপাশি কোলে করে, বিছানায় নিয়ে, চলতি পথেও ব্যবহার করতে পারেন। আর ল্যাপটপ কেনার সময় আমরা সবসময়ই কনফিউজে থাকি যে কোন বিষয়গুলোর উপর লক্ষ্য রাখতে হবে। আজকের এই পোষ্টে আমি সেই বিষয়গুলো নিয়েই সহজ ভাষায় নিজের মতো করে আপনাদের সামনে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো। আর বলাবাহুল্য যে আমি এই পোষ্টটাও ল্যাপটপে টাইপ করছি!

আমি আবার না জেনে কিছু কিনি না। কিনার বহু আগে থেকেই ঐ বিষয় নিয়ে লেখাপড়া শুরু করে দেই (যদি ক্লাসের পড়াগুলা এরকমভাবে পড়তাম ????) এতে লাভ বৈকি লস হয়না। তাছাড়া, অনেক সময় একেকজন একেক সমস্যা নিয়ে আসতো। সবতো আর আমি জানি না, তখন শুরু হত খোঁজাখুঁজি, এতে দেখা গেছে আমার জানার পরিমাণটাও একটু বাড়ত।

বর্তমান যুগের ইন্টারনেট এর কল্যানে আমাকে আর পায় কে ? কিছু না বুঝলেই গুগলে সার্চ। অল্পস্বল্প অভিজ্ঞতা আর ইন্টারনেট এর কল্যানে আমি আজ ল্যাপটপ কিনার ব্যাপারে আপনাদের সাথে কিছু কথা শেয়ার করব।

আজ যে বিষয়টি প্রয়োজনীয়, কাল সেটি আপনার কাছে প্রয়োজনীয় বিষয় নাও হতে পারে। আবার যে বিষয়টি এখন আপনার কাছে অপ্রয়োজনীয়, কাল সেটি অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠতে পারে।

আপনার উদ্দেশ্য জানুন এবং মনে রাখুন

আপনার  ল্যাপটপ পুরাতন, সেকেন্ড হ্যান্ড কিংবা নতুন যে অবস্থারই কিনেন না কেন কেনার আগে আপনার ল্যাপটপ কেনার উদ্দেশ্যকে ঠিক করুন এবং সেটাকে মনে রাখুন। আপনি যদি মনে করেন যে বাজেটের মধ্যে অফিসের কাজকর্ম এবং ব্যক্তিগত গানবাজনার জন্য কিনবেন তাহলে সেভাবে কিনুন। আবার যদি মনে করেন যে প্রফেশনাল গেমিংয়ের উদ্দেশ্যে ল্যাপটপ কিনবেন তাহলে সে ধরণের ল্যাপটপ কিনতে হবে। আর ল্যাপটপ আপনি কিন্তু বেশ দীর্ঘসময়ের জন্য ব্যবহার করবেন আর ল্যাপটপ কেনার পর সেটায় আলাদা করে র‌্যাম, গ্রাফিক্স কার্ড আপনি কিন্তু চাইলেই লাগাতে পারবেন না তাই কেনার সময় সঠিক মানের সঠিক কনফিগারেশনে ল্যাপটপ কিনুন। আর বাজেটে থাকলে একটু বেশি কনফিগারেশনের কিনে নিন তাহলে আগামী বছরগুলোতে ল্যাপটপটিকে বেশ স্বাচ্ছন্দেই ব্যবহার করতে পারবেন।

১৬ হাজার টাকায় তো ল্যাপটপ পাওয়ায় ৬০হাজার টাকার কেন কিনবো?

আপনার বাজেট এবং বিক্রেতার বাজেট!

বর্তমানে খুব সস্তাতেই আপনি ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন। সেদিন আমি নিজে দেখলাম যে ১৬ হাজার টাকা থেকে IDB ভবনে iLife brand এর ল্যাপটপ বিক্রি হচ্ছে, আর যাই করেন সেটায় গেমিং করা যাবেনা সেটা তো বুঝেনই! নতুন, পুরাতন কিংবা সেকেন্ডহ্যান্ড যে টাইপেরই আপনি ল্যাপটপ কিনতে যান না কে আপনার উদ্দেশ্যের সাথে আপনার বাজেটের দিকটাও খেয়াল রাখতে হবে। আপনার যদি গেমিং উদ্দেশ্য হয় তাহলে আপনি ৪০ থেকে শুরু করে কয়েক লাখ টাকারও ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন কিন্তু এখন কথা হচ্ছে আপনার বাজেট অনুযায়ী সঠিক ব্রান্ডের সঠিক কনফিগারেশনের ল্যাপটপটি কিনে নিতে হবে। যেমন আপনার অফিসের কাজ এবং ব্যাক্তিগত টুকিটাকি কাজের জন্য ল্যাপটপ প্রয়োজন, এক্ষেত্রে দামি ও হেভি গ্রাফিক্স সম্পন্ন ল্যাপটপ আপনার প্রয়োজন হবে না অন্যদিকে আপনি যদি শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বিনোদন যেমন গান শোনা মুভি দেখার জন্য ল্যাপটপ কিনতে চান তাহলে আপনার বাজেটের মধ্যে সেরা হার্ডডিক্স সম্বলিত ল্যাপটপটি কিনতে হবে। আর এখানে বিক্রেতার বাজেট বলতে আমি আপনাকে বুদ্ধি খাটাতে বলেছি। একটি শপে গিয়েই ল্যাপটপ না কিনে আশেপাশের সকল শপে একটু ঘুরে ফিরে দামগুলো নোট করে তারপর কিনুন, তাহলে শপভেদে আপনার পছন্দের ল্যাপটপটি হাজারখানেক কমে পেতে পারেন!

ঐ মিয়া কি লবণ দিবা? লবণের আবার রকম কি আছে!!

ব্যান্ড

“ডেক্সটপ কম্পিউটার” আপনি আলদা পার্টসপাটি এনে নিজের মতো করে কাস্টম একটি পিসি বিল্ড করতে পারেন। কিন্তু একটি ল্যাপটপের কিবোর্ড থেকে শুরু করে ছোট ছোট পার্টস আলাদা করে কিনে বানানো যায় না। এটি কম্পানি থেকে প্রি বিল্ড হয়ে আসে। তাই ল্যাপটপ নতুন বা পুরতান কেনার সময় সেটার ব্র্যান্ড সম্পর্কে আপনার সচেতন হতে হবে। ল্যাপটপে কিন্তু ব্র্যান্ড জিনিসটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানে ল্যাপটপের বেলায় ব্রান্ড মানে শৌখিন বা show-off করার মতো কোনো বিষয় না। ল্যাপটপের এক একটি ব্রান্ডের এক এক ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন অ্যাপলের ম্যাকবুকগুলোতে আপনি সেরা পোর্টেবিলিটি পাবেন ঠিক তেমনি Razer এর আল্ট্রাবুকগুলোতে পাবেন সেরা গেমিং এক্সপেরিয়েন্স। তাই কেনার সময় আপনার বাজেটের মধ্যে সঠিক ব্রান্ডটি সিলেক্ট করতে হবে।

আমার স্মার্টফোন আমার পার্সনাল মুভি থিয়েটার!!

স্ক্রিন সাইজ, ওজন এবং পোর্টেবিলিটি

সত্যি কি আপনি আপনার স্মার্ট ফোনে সব কাজ স্বাচ্ছন্দ্যে করতে পারেন। তাই ল্যাপটপ কেনার সময় যে বিষয়টির উপর লক্ষ্য রাখবেন সেটা হচ্ছে স্ক্রিণ সাইজ, ল্যাপটপটির ওজন এবং এটি কতটুকু পোর্টেবল সেটার উপর। আপনি বাজারে ১০ ইঞ্চি থেকে শুরু করে ১৫.৬ ইঞ্চি এবং তারও বেশি সাইজের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ পাবেন। আর একটি ল্যাপটপ যত বেশি বড় সাধারণত সেই ল্যাপটপটি ততবেশি ওজনদার হয়। আর বড় ওজনদার ল্যাপটপগুলোতে বেশি পোর্টিবিলি পাওয়া যায় না তাই আপনার প্রয়োজন মাফিক এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখবেন স্ক্রিণ সাইজ যত ছোট হবে ল্যাপটপটির চার্জ তত বেশি থাকবে এবং CPU থেকে বেশি পাওয়ার পাবেন। কারণ ছোট স্ক্রিণের রেজুলেশন কম হয়ে থাকে।

আমারটা নোটবুক, ল্যাপটপ না!!! 🙁

ল্যাপটপের ধরণ

আগে ল্যাপটপ বলতে শুধুমাত্র ল্যাপটপকেই বোঝানো হতো কিন্তু বর্তমানে ল্যাপটপের পরিধি ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। তবে নোটবুক, আল্ট্রাবুক, ম্যাকবুক যতই প্রকারভেদ থাকুক না কেন ল্যাপটপ মূলত দুই প্রকার। একটি হচ্ছে ট্রাডিশনাল ল্যাপটপ আরেকটি হচ্ছে হাইব্রিড ল্যাপটপ। ট্রাডিশনাল ল্যাপটপ হচ্ছে নরমাল ল্যাপটপ যেখানে ডিসপ্লে এবং কিবোর্ড সংযুক্ত করা থাকে। অন্য দিকে হাইব্রিড ল্যাপটপগুলোকে কিবোর্ড বিচ্ছিন্ন করা যায় এবং টাচস্ক্রিণের মাধ্যমে সেটাকে ট্যাবলেট আকারে ব্যবহার করার ব্যবস্থা রয়েছে। বলা বাহুল্য যে হাইব্রিড ল্যাপটপগুলোর দাম একটু বেশি।

উপরে ফিটফাট ভেতরে সদরঘাট

র‌্যাম এবং প্রসেসর

যে উদ্দেশ্যেই বা যে কাজের জন্য আপনি ল্যাপটপ কিনেন না কেন সবসময় চেষ্টা করবেন যে বাজেটের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে ল্যাপটপের র‌্যাম এবং প্রসেসরকে কিনতে। কারণ ল্যাপটপে আপনি পরবর্তীতে আলাদাভাবে র‌্যাম যুক্ত করতে পারবেন কিন্তু তাতে আর্থিক ও ওয়ারেন্টির ব্যপার রয়েছে। আবার চাইলেই ল্যাপটপের প্রসেসর পাল্টাতে পারবেন না। অনেক ডেডিকেটেড ল্যাপটপগুলোতে র‌্যামকে গ্রাফিক্স কার্ডের মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাই বর্তমান যুগের প্রেক্ষাপটে ৪ গিগাবাইট র‌্যামের নিচের ল্যাপটপ না কেনাই উত্তম আর বেসিক হলো ৮ গিগাবাইট র‌্যামের ল্যাপটপ।

আগে ৫০০টাকার হাতে খরচে মাস চলেছে। কিন্তু এখন ৫০০০ টাকায়ও হয়না।

স্টোরেজ

র‌্যাম এবং প্রসেসরের মতোই ল্যাপটপের স্টোরেজের দিকেও নজর দেওয়া উচিত। তবে আপনি চাইলে সহজেই ল্যাপটপে আলাদাভাবে পোর্টেবল হার্ডডিক্স বা SSD লাগিয়ে নিতে পারবেন, তবে তাই বলে একদমই কম স্টোরেজের ল্যাপটপ না কেনাই উত্তম। আপনার ল্যাপটপে HDD কিংবা SSD বা কম্বো থাকবে কিনা সেটাও সিদ্ধান্ত করে নিন।

ডিসপ্লে কোয়ালিটি

ল্যাপটপ কেনার আগে ডিসপ্লের কোয়ালিটি দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। কারণ ল্যাপটপের ডিসপ্লের দিকে তাকিয়েই আপনাকে কাজ করতে হবে। ল্যাপটপ কেনার সময় ল্যাপটপের রেজুলেশন কত তা দেখেও ল্যাপটপ কেনা উচিত।

আমি আপনাকে ১০৮০পি অর্থাৎ ফুল এইচডি ডিসপ্লে নিতে রিকমেন্ড করবো। এই রেজুলেশনের ডিসপ্লে সকল কাজের জন্যই আদর্শ। আপনি যদি কোন কারণে ফুল এইচডি স্ক্রিন নিতে না পারেন তাহলে অব্যশই অন্তত এইচডি অর্থাৎ ৭২০পি স্ক্রিনের ল্যাপটপ নিবেন। বাজেট ল্যাপটপগুলোতে সাধারণত ৭২০পি ডিসপ্লে থাকে।

জেনারেশন বা প্রজন্ম

জেনারেশন এর বাংলা অর্থ হলো প্রজন্ম। জেনারেশন দ্বারা সাধরণত ল্যাপটপটি কোন প্রজন্মের তা বুঝানো হয়।ল্যাপটপ কেনার সময় ল্যাপটপটি কোন জেনারেশনের সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। কেননা জেনারেশনের উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। সবসময় চেষ্টা করবেন লেটেস্ট জেনারেশনের ল্যাপটপটি নিতে।
বাজারে ৪র্থ জেনারেশন থেকে শুরু করে ১০ম জেনারেশনের ল্যাপটপ পাওয়া যায়। ল্যাপটপ কেনার ক্ষেত্রে ৭ম জেনারেশনের নিচের কোনো ল্যাপটপ নেয়া যাবে না। সবচেয়ে ভালো হবে ৮ম জেনারেশনের ল্যাপটপ নিলে।

গ্রাফিক্স

ল্যাপটপে সাধারণত একটি বিল্ট-ইন গ্রাফিক্স কার্ড সংযুক্ত থাকে। তবে আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ করেন বা ভিডিও এডিটিং এর কাজ করেন কিংবা হাই-এন্ড গেমস খেলতে চান তাহলে গ্রাফিক্স চিপের প্রয়োজন হবে। বলে রাখা ভালো ল্যাপটপের কিছু পার্টস পরিবর্তন করা গেলেও গ্রাফিক্স কার্ড পরিবর্তন করা যাবে না। তাই ডেডিকেটেড গ্রাফিক্স কার্ড/এক্সটর্নাল গ্রাফিক্স প্রয়োজন হলে তা কেনার সময়ই নিয়ে নিতে হবে। কারণ ল্যাপটপ ম্যানুফেকচারিং এর সময় গ্রাফিক্স সহ/ছাড়া ভিন্ন ভিন্ন ভাবে তৈরি হয়।

বাহিরে মশা, তাই ল্যাপটপ নিয়ে মাশারিরর ভেতরে বসেছেন । কিন্তু অন্ধকারে কী-বোর্ড দেখতে পাচ্ছেন না।

কিবোর্ড

আপনাকে এমন ল্যাপটপ সিলেক্ট করতে হবে যেটাতে কম্ফোর্টেবল কিবোর্ড রয়েছে যাতে আপনি সহজে টাইপিং করতে পারেন। আর ল্যাপটপের কিবোর্ডে ব্যাকলিট আছে কিনা সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। ব্যাকলিট থাকলে আপনার অন্ধকারে টাইপিং করতে তেমন অসুবিধা হবে না।ল্যাপটপ কেনার সময় কিবোর্ড ভালোভাবে কাজ করছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। অনেক সময় ল্যাপটপে টাইপিং করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয় যদি না কিবোর্ডর কী গুলোর মাঝে পর্যাপ্ত ফাঁকা জায়গা না থাকে।

একটি এক্সটার্নাল কি-বোর্ড, মাউস ও পেনড্রাইভ লাগানো আছে। আর তো পোর্ট নাই?

laptop por

পোর্ট

ল্যাপটপ কেনার সময় ল্যাপটপটিতে কি কি পোর্ট রয়েছে সেদিন খেয়াল রাখতে হবে। লক্ষ্য রখবেন ল্যাপটপে যেন একের অধিক ইউএসবি ৩ পোর্ট থাকে। এতে বাড়তি কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে।
ইউএসবি ৩ ইউএসবি ২ এর তুলনায় ১০ গুণ বেশি তাড়াতাড়ি ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম। ফলে আপনার সময়ও অনেক কম লাগবে। আর ল্যাপটপে ইউএসবি ৩.১ পোর্ট থাকলে তো আরো ভালো। ল্যাপটপে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পোর্ট আছে কিনা তাও ভালোভাবে চেক করে নিবেন।

বাসায় ওয়ার ইন্টারনেট কানেকশন । হাই ভোল্টজে সব পুড়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া কোন জিনিসের ওয়ারেন্টি নেই

ওয়্যারলেস কানেকশন

ল্যাপটপ কেনার সময় ল্যাপটপটি কি ধরনের ওয়্যারলেস কানেকশন সাপোর্ট করে তা দেখে নিতে হবে। ল্যাপটপে ওয়াই ফাই অ্যাডাপ্টর আছে কিনা চেক করে নিবেন। ব্লুটুথের ক্ষেত্রে ব্লুটুথ ৩.o এখন পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাই ব্লুটুথ ৪.o আছে কিনা তাও দেখে নিতে পারেন। বর্তমানের ল্যাপটপগুলোতে কোন ওয়ার কানেশন নেটওয়ার্ক থাকে না। তাই এ ধরণের ল্যাপটপ কোনার আগে ওয়াইফাই রাউটার কিনতে হবে।

যাহ্‌ চার্জ শেষ!!!

ব্যাটারি লাইফ

যেহেতু আপনি ল্যাপটপ কিনছেন পোর্টবেলিটির জন্য সেজন্য কোনার পূর্বে অবশ্যয় ল্যাপটপটির ব্যাটারি ব্যাপাক কতক্ষণ তা জেনে নিবেন। আপনারও কাজের উপর ভিক্তি করে ল্যাপটপের ব্যাটারি লাইফের দিকে খেয়াল রাখা উচিত। তবে গেমিং, গ্রাফিক্সের কাজ বা হেভি কাজ করতে গেলে ব্যাটারি লাইফের দিকে একটু ছাড় দেওয়া যেতে পারে। বর্তমান যুগে ল্যাপটপ বিক্রির অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে এর ব্যাটারি লাইফ। যে ব্রান্ড যত বেশি ব্যাটারি লাইফ দিতে পারছে সেটার ল্যাপটপগুলো বেশি বিক্রিত হচ্ছে।

এটাতো আমার থানার আওতায় না, আপনি অমক থানায় যান!!!

ওয়ারেন্টি এবং সার্পোট

এই ক্ষেত্রেও ব্রান্ডের ভূমিকা রয়েছে। এক এক ব্রান্ডের ওয়ারেন্টি পলিসি ভিন্ন রকম। আবার শপ ভিক্তিক আলাদা আলাদা সার্পোটও রয়েছে। যেমন একটি শপে আপনি ২ বছর পর্যন্ত ফ্রি সার্ভিসিং সুবিধা পাবেন আবার আরেকটায় আড়াই বছর পর্যন্ত পেলেন ইত্যাদি। কিছু প্রোডাক্টের রয়েছে লাইফ টাইম ওয়ারেন্টি আবার কিছুর রয়েছে ৩ থেকে ৬ মাসের।

উপরিউক্ত টিপস কাজে লাগালে আপনি অবশ্যই পছন্দের মত ল্যাপটপ/ নোটবুক/ডেক্সটপ পিসি ক্রয় করতে পারবেন।
আমার এই পোস্টে কোন ভুল/বুঝতে সমস্যা বা কেমন লাগলো তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *